ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম:-

এ অঞ্চল প্রাচীন বাংলার সমতট নামক জনপদের অংশ ছিল।মধ্যযুগে আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছিল সরাইল পরগনার অন্তর্গত। ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্তে জানা যায় পাঠান সুলতান শেরশাহ রাজস্ব আদায় ও শাসন কার্য পরিচালনার সুবিধার্থে প্রথম পরগনার সৃষ্টি করেন। সুলতানী আমলেই সরাইল পরগনার সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক কারণে সরাইল পরগনা কখনো কখনো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

বাংলার বার ভূইয়ার শ্রেষ্ঠ ভূইয়া মসনদ-এ আলা ঈসা খাঁর বংশ পরিচয় থেকে জানা যায় ভারতের বাইশওয়ারা রাজ্যের এক যুবরাজ কালিদাস গজদানী সৈয়দ ইব্রাহীম মালেকুলউলামা (রাঃ) এর নিকট ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সোলায়মান খাঁ নাম ধারণ করেন। সোলায়মান খাঁ ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গে আগমন করেন। তিনি সুলতান গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ শাহের পর থেকে সর্বপ্রথম সরাইল পরগনার জায়গীর প্রাপ্ত হন।

সোলায়মান খাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পাঠান বাহিনী মিথ্যা সন্ধির প্রস্তাবে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করে। এ সময়ে ঈসা খাঁর বয়স ছিল দশ বছর। পরবর্তীতে স্বীয় প্রতিভা বলে তিনি ভাটীরাজ্যের এক বিরাট শক্তিতে পরিণত হন। ভাটী রাজ্যের স্বাধীনতা রক্ষায় ঈসা খাঁর সঙ্গে মোঘল বাহিনীর যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ রয়েছে। ঈসা খাঁ সে সময়ে সরাইলে অস্থায়ী রাজধানী স্থাপন করেন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ স্মৃতিসৌধ অবকাশ – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

 

১৫৮১ খ্রিস্টাব্দের দিকে তিনি ভাটীরাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি রূপে তাঁর শাসনকেন্দ্র সরাইল থেকে রসানার গাঁয়ে এবং সাময়িক ক্ষেত্রে কিশোরগঞ্জের জঙ্গল বাড়িতে স্থানান্তর করেন। ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরা জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অধিকাংশ এলাকা ময়মনসিংহ জেলার অর্ন্তভূক্ত ছিল। ১৮৩০ সালে সরাইল, দাইদপুর, হরিপুর, বেজুরা ও সতরকন্ডল পরগনা, ময়মনসিংহ হতে ত্রিপুরা জেলার কাছে হস্তান্তর করা হয়। ১

৮৬০ সালে নাসিরনগর মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অধিকাংশ এর অধীনস্থ হয়। ১৮৭৫ সালে নাসিরনগর মহকুমার নাম পরিবর্তন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা করা হয়। তৎপূর্বেই ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর পৌরসভায় উন্নীত হয়। ১৯৪৭ পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত হয়। ১৯৬০ সালে ত্রিপুরা জেলার পূর্ব পাকিস্তান অংশের নামকরণ হয় কুমিল্লা জেলা। তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি মহকুমা শহর নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা উত্তর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সময় ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে জেলা ঘোষণা করা হয়।

 

# শিরোনাম সম্পাদক যোগাযোগ
দৈনিক ফ্রন্টিয়ার দেলোয়ার আহমেদ দক্ষিন কালিবাড়ি ।
সাপ্তাহিক কলমের কথা দীপক চৌধুরী বাপ্পী রওশন প্রিন্টিং প্রেস, মসজিদ রোড় ।
দৈনিক চলার পথে মোস্তাফিজুর রহমান ভূইযা (ফেরদৌস) পপুলার অফসেট প্রেস, কান্দিপাড়া ।
সাপ্তাহিক নতুন মাত্রা আল আমিন শাহীন পপুলার অফসেট প্রেস, কান্দিপাড়া ।
সাপ্তাহিক ইসরাক খ. আ. ম. রশিদুল ইসলাম জবিলী অফসেট প্রেস, মসজিদ রোড় ।
সাপ্তাহিক/অর্ধ সাপ্তাহিক পেনব্রীজ ইমদাদুল হক রওশন প্রিন্টিং প্রেস, মসজিদ রোড় ।
দৈনিক আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওয়াহিদুর রহমান টুকু পপুলার অফসেট প্রেস, কান্দিপাড়া ।
দৈনিক ইষ্টার্ণ মিড়িয়া মোঃ নজরুল ইসলাম ভূইয়াঁ (বেলাল) মেসার্স ভূইয়া অফসেট প্রেস, কালীবাড়ী মোড়, ব্রাহ্মণবাড়িযা ।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম
বঙ্গবন্ধু মুরাল – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

 

দৈনিক সরোদ পীযুষ কান্তি আচার্য জুবিলী অফসেট প্রেস, মসজিদ রোড ।
১০ দৈনিক কুরুলিয়া মোঃ ইব্রাহিম খান সাদাত নেহার প্রিন্টিং প্রেস, কাজীপাড়া ।
১১ দৈনিক দিনদর্পন আলহাজ্ব এড. হুমায়ুন কবির জুবিলী অফসেট প্রেস, মসজিদ রোড ।
১২ দৈনিক আজকের হালচাল মোঃ আব্দুল হক (আবেদ) পপুলার অফসেট প্রেস, কান্দিপাড়া ।
১৩ দৈনিক একুশের আলো সেলিম পারভেজ বণঁমালা অফসেট প্রেস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।
১৪ দৈনিক তিতাস কন্ঠ সৈয়দ মিজানুর রেজা রওশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজী পাড়া
১৫ দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া মোঃ নুরুল হোসেন জুবিলি অফসেট প্রেস, মসজিত রোড় ।

 

১ thought on “ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গণমাধ্যম”

Leave a Comment